digital-marketing-laptop

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ

 

 

আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য সাধারনত একটি ল্যাপটপই যথেষ্ট। আমরা আলোচনা করবো digital marketing laptop সম্পর্কে। সাথেই থাকুন নিত্যটিউনের।

এছাড়া গ্যাফিক্স ডিজাইন বা এনিমেশন এধরনের রিয়েলিটি কাজের জন্য আপনার হাই এন্ড মিশিন হলে পরে ভালো হয়।

তাছাড়া ফটোশপ এর কাজ করা যায় বা যাবে এমন একটা ল্যাপটপ হলেই ডিজিটাল মার্কেটিং কারা যাবে।

আচ্ছা আপনি বলতে পারেন কি যে, ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর কোনটি? আপনি নিশ্চয় এসইও নামটি শুনছেন? এসইও নিয়ে ইনশাআল্লাহ্ আগামীতে একটি পোস্ট লেখবো। 

তবে, ডিজিটাল মার্কেটিং কিংবা এর গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর এসইও করতে কিন্তু হাই পার্ফোমেন্সের ল্যাপটপ দরকার নেই।

আপনি কি একজন ফ্রিল্যান্সার হতে চান? ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন ল্যাপটপ ভালো হবে? 

আপনার ভাবনাকে সহজ করতে আমরা নিয়ে এসেছি আজকের এই পোস্ট। এখানে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাপটপের বিষয়ে জানতে পারবেন। 

তাহলে চলুন দেখা যাক – ডিজিটাল মার্কেটিং-এর কাজ করার জন্য কেমন ল্যাপটপ উপযুক্ত?

 

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কেমন ল্যাপটপ প্যয়োজন- digital marketing laptop

এমন হাই হাই ল্যাপটপের প্রয়োজন নেই ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার জন্য। শুধু মাত্র একটি সাধারন ল্যাপটপ দিয়েই আপনি কাজ করতে পারবেন।

এমন কি আপনি আপনার হাতের স্মার্টফোনটি দিয়েও ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারনে।

সেই লক্ষে কনফিগারেশনের ল্যাপটপ তখনি প্রয়োজন পরে যখন আপনি ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিং এর কাজ করতে চাইবেন।

আর যদি আপনি মনে করেন যে না, আমি ডিজিটাল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে খুব বেশি কনফিগারেশন দিবে এমন ল্যাপটপ নিব।

তাহলে নিতে পরবেন তাতে কোন সমস্যা হবেনা। ল্যাপটপ কেনার সময় কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য করা উচিত-

আমাদের সবার পছন্দ এক নয়। একেক জনের একেকটা পছন্দ। কেউ ভালো স্পেইস, ভালো ল্যাপটপ, কেউবা অধিক পেশার সহ করতে পারে এমন ল্যাপটপ নিতে চাই।

আর সব শেষে আমরা বেষ্ট জিনিসটাই নিতে চাই। এজন্য অবশ্যই কিছু বিষয় লক্ষ্য করা সবার উচিত।

সাইজ এন্ড ওয়েট

ডিজিটাল মার্কেটিং করার উদ্দেশ্যে হলে অর্থাৎ digital marketing laptop হিসেবে আপনার কেমন কনফিগারেশনের ল্যাপটপ নির্ধারন করে নিতে হবে চলুন পড়তে থাকি

... 11.3″ থেকে 17 ইঞ্চি ল্যাপটপ পাওয়া যায় বর্তমান এই বাজারে।

আর তাই যদি আপনি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ক্যারি করতে চাইলে অবশ্যই হালকা পাতলা ল্যাপটপ নেওয়া উচিত হবে।

তবে আপনি যদি গেমিংয়ের বা গ্রাফিক্সের কাজ করাতে চান তাহলে বড় ধরনের ল্যাপটপ নেওয়া উচিত।

 

আফটার সার্ভিস

আমরা শোরুম থেকে ল্যাপটপ তাড়াহুড়া করে এনে থাকি কিন্তু কখনো তাদের শোরুমের আফটার সার্ভিস কেমন তা জিঙ্গেস করিনা।

এসব ইলেকট্রনিক জিনিসের কখন কি হয়ে যায় তা বলা সম্ভব হয় না। এজন্য অবশ্যই আফটার সার্ভিস সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

 

বিল্ড কোয়ালিটি

এই বিষয়ে নতুন কিংবা পুরাতন ক্রেতা কেউই গরুত্ব রাখেনা। আপনি চাইলেই 2দিন পর এর বডি চেইন্জ করবেন বা 2-3 মাস ব্যবহার করেবেন এমন তো না।

আর যদি কখনো পরে যাই তখন কি হবে। এজন্য এটির বিষয়ে সবার গুরুত্ব থাকা জরুরি।

 

সিকিউরিটি

কি রকম সিকিউরিটি আছে আপনার কেনা ল্যাপটপে তা চেক করে নিবেন।

এছাড়া বাজারে অনেক সিকিউরড দেওয়া ল্যাপটপ পাওয়া যায়। চাইলে সেসব নিতে পারেন নিস্বন্দেহে। টাইপ সি পোর্ট এর প্রয়োজন হলে সেই ল্যাপটপ নিবেন।

স্ক্রিন কোয়ালিটিি

আমরা যে ল্যাপটপটি নিবো তার স্ক্রিন কোয়ালিটি কেমন তা দেখতে হবে। কেননা এর কোয়ালিটি খারাপ হয় তাহলে নানান সমস্যায় পরতে হবে।

আর দিনের বেশির ভাগ সময় ধরে কাজ করতে হবে তাই চোখ সহ্য করতে পারে এমন ল্যাপটপ নেতে হবে।

সুতরাং এর ফুল এইস ডি কোয়ালিটি স্ক্রিন নেওয়ার চেষ্টা করুন।

 

ব্যাটারি চার্জার

ল্যাপটপ নেওয়ার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে এর ব্যাটারি পাওয়ার কেমন সার্ভিস দিতে পারবে। একটি ল্যাপটপে 40wh থেকে 45wh এর ব্যাটারি ভালো চলে।

এমনকি এখন মোবাইল ফোনের মতো এরও ফাস্ট চার্জার রয়েছে।

কিবোর্ড

কিবোর্ড এর মানগত দিক দেখে নিবেন। আপনি এটি চালাতে সুবিধে হচ্ছে কিনা। কিবোর্ডের প্রতিটা বাটাম কাজ করতেছে কি না।

কারাণ, যে কিবোর্ড তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় তার বদলে ল্যাপটপে আলাদা একটা কিবোর্ড দিয়ে কাজ করা একটু ঝামেলার।

আর অবশ্যই এর বাকলাইট আছে কি না তা দেখে নিবেন। যাতে করে আপনি চাইলে রাতেও খুব সহজেই কাজ করতে পারবেন।

 

স্টোরেজ

হার্ডডিস্কেই আমরা সাধারনত স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে থাকি। সেখানেই মূলত সকল তথ্য জমা করে রাখি।

আমরা এই সব তথ্যগুলো সেখানেই বেশি রাখতে পারবো যেখানে স্টোরেস ক্ষমতা অনেক বেশি।

তাই স্টোরেস ক্ষমতা বেশি দেখে ল্যাপটপ কনবেন। আর কেনার আগে রেগুলেশন পার মিনিট কেমন তা দেখে নিন।

এর ক্ষমতা বেশি হলে আপনার ডাটা ট্রান্সফার রেট বেড়ে যাবে এতে তাড়াতাড়ি কাজ করবে।

আমার মতে ল্যাপটপের জন্য এস এস ডি (SSD-Solid State Drive) বেশি ভালো হবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কম্পিউটার এরকম কনফিগারেশনের নিলে আপনি বেশি উপকৃত হবেন।

 

প্রসেসর

কম্পিউটারের প্রায় সকল কাজ এর উপর নির্ভরশীল। আপনার কাজের মান যেমন হবে তেমনি প্রসেসর নিতে পারবেন।

i3-i9 Internet সিরিজ প্রসেসর বাজারে পাওয়া যায়।

কিন্তু ইন্টেলেন প্রসেসর বেশি ভালো ল্যাপটপের জন্য। ক্লোক স্পিড, জেনারেশন, প্রসেসর সিরিজ, ক্যাশ মেমরি দেখে নিন।

ভালো স্পিড এর জন্য এসবের গুরুত্ব অনেক। প্রফেশনাল কাজের জন্য i7-i9 সিরিজের ল্যাপটপ উপযুক্ত।

 

র‌্যাম

কিছুদিন আগে ল্যাপটপ হাউস করার জন্য ৪ জিবির র‌্যাম হলেই চালানো যেতো। তবে বর্তমানে অ্যাপসের সাইজ বেশি হওয়ায় এর কম করে হলেও ৮ জিবির র‌্যাম করা দরকার।

আর এই বড় অ্যাপস গুলো এক সাথে ১-৩ টা চালাতে আপনার ১৬ জিবি র‌্যামের প্রয়োজন হবে।

গেইমারদের জন্য এর চেয়েও অনেক বেশি জিবির র‌্যামের দরকার পরবে। এজন্য ল্যাপটপ কেনার সময় দেখতে হবে যে কোন ধরনের র‌্যাম দিচ্ছে ।

এসব ভাল ফিচারযুক্ত ব্র্যান্ড হিসেবে এইচ পি ল্যাপটপ নিতে পারেন।

প্রতেকটা জিনিসের ভালো ও মন্দ দিক থেকে থাকে। সে জন্য কোন জিনিস নেওয়ার আগে অভিঙ্গদের পরামর্শ নেওয়াটা জরুরি।

তাই এই বিষয়েও আমাদের ভালো মন্দ জানাটা দরকার। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলো।

 

ল্যাপটপের সুবিধা-

– প্রথমতো বহনযগ্যতা, এটি ডেক্সটপের মতো সুধুমাত্র নির্দিষ্ট কোন জায়গাতেই নয় বরং আপনি চাইলে যেকোন জায়গাই ‍নিয়ে যেতে পারবেন।

ব্যবহার করতে পারবেন যেখানে সেখানে বসেই।

– দ্বিতীয়তো ছোট আকার হওয়ায় ওজনে হালকা হওয়াতে চলাচলে তেমন একটা অসুবিধে হয় না।

সব ধরনের যানবাহনে যাত্রা করতে করতেই হাতের কাজ এতে সারতে পারবেন।

– তৃতীয়তো তথ্য বহনে সহাযতা করে থাকে এই ল্যাপটপ। যা আপনার যেকোন সময় প্রয়োজন পরাতে দেখে নিতে পারবেন।

– চতুর্থ বিদ্রুৎ কম খরচ হয়ে থাকে ডেক্সটপের তুলনাই। আর এর ব্যাটারির ক্ষমতা রয়েছে যা বিদ্রুৎ যওয়ার পরেও প্রায় 30 মিনিটের মতো চলেতে থাকে।

– পঞ্চমতো এর মাঝে এক সঙ্গে অনেক গুলো জিনিস থাকায় এর সুবিধা অনেক।

 

ল্যাপটপের অসুবিধা-

এর অনেক অসুবিধা রয়েছে তা বিস্তারিত অলোচনা করা হচ্ছে, ল্যাপটপের স্থায়িত নেই যেমটা ডেক্সটপের রয়েছে।

এটি যেকোন সময় হাত থেকে পরে ভেঙ্গে যেতে পারে। এর প্রতেকটা জিনিস অনেক নমনীয় তাই খুব সাবধানে ব্যবহার করতে হয়।

সাধারন ল্যাপটপের কার্যক্ষমতা ডেক্সটপের তুলনায় অনেক কম। আবার ডেক্সটপের ক্ষমতার সমান ল্যাপটপ গুলোর দাম বেশি।

এর এই দামের তুলনাতে পিসি ও ডেক্সটপের দাম অধিকাংশই কম।

ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ একত্রে থাকায় এর ফাকা জায়গা কম থাকে তাই ধারন ক্ষমতাও কম হয়ে থাকে।

কিন্তু বড় আকারের ল্যাপটপে ধারন ক্ষমতা বেশি হয়ে থকে। আবার ব্যাটারির ব্যাপআপ সীমিত হয়ে থাকে।যত ছোট ল্যাপটপ হবে ততই বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে।

এর যদি কোন যন্ত্র নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আবার ঐ একই কম্পানির কিনে লাগাতে হবে। আর তা না হলে ঠিকঠাক কাজ করেনা অণেক সমস্যা দেখা যায়।

digital marketing laptop এর দাম কি সত্যিই বেশি হয়ে থাকে? হ্যাঁ এটা সত্য ল্যাপটপের দাম সবসময় বেশি হয়ে থাকে।

পোরটেবিলিটি, ফ্লেক্সিলিটি এবং ব্যাটারি পাওয়ারের দিক বিবেচনা করলে দামের বিষয়টি আবার কিছুই না।

আপগ্রেড কারা যায়না ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আর করতে গেলেও অনেক ঝামেলা সামলাতে হবে।

এখন যদি আমরা নিরাপত্তার দিকটা বিবেচনা করি তাহলে দেখা যাবে এর নিরাপত্তা তেমন একটা নেই।

কারন বাহিরে ব্যবহারের সময় চুরি হয়েও যেতে পারে। আকারে ছোট তাই সহযেই চুরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

সুতরাং ল্যাপটপ খুব যত্ন সহকারে ব্যবহার করে থাকতে হয়। তাপ, ধুলিবালি, পানি ইত্যাদি থেকে দূরে রেখে চলতে হয়।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *